
বিমান কমকর্তার বাসায় নির্যাতনের শিকার মা হারা সেই গৃহকর্মীর পাশে প্রবাসী কাশেম
ঢাকা উত্তরায় বিমান কমকর্তার বাসায় খুন্তি দিয়ে গরম ছ্যাকা ও বাথরুমে আটকে নির্যাতনের শিকার হয়ে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এতিম সেই শিশুর পরিবার কে নগদ অর্থ সহায়তা করেছে সৌদি আরব প্রবাসী আলহাজ্ব আবুল কাশেম।
৩ই ফেব্রুয়ারী সকালে আবুল কাশেম মাতাব্বর ভিডিও কনফারেন্সে নির্যাতনের শিকার শিশু মোহনা ও তার বাবা হোটেল কমর্চারী মোঃ মোস্তফার সাথে কথা বলে এ সহযোগিতা করেন৷
জানা যায়, পঞ্চগড় জেলা সদরের আরিপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোস্তফা মিয়া একজন হোটেল কর্মচারী।
তিন বছর বয়সে কন্যা সন্তান রেখে মারা যান মোস্তফার স্ত্রী শহিদা বেগম। এর পর থেকেই ঢাকা আশুলিয়ার জিরাবো কলেজ গেট এলাকায় বাস করেন মোস্তফা।
নিকটবর্তী এক স্বজনের মাধ্যমে বিমান কমকর্তা সাফিকুর রহমান ও প্রীতি দম্পতির শিশু সন্তান কে দেখা শোনার জন্য নেওয়া হয় মোহনা কে।
কথা ছিল মা হারা সন্তান কে মায়ের মমতা দিয়ে লালন-পালন করবেন এ দম্পতি কিন্তু গরম ছ্যাকা ও খুন্তির আঘাতে জাঝড়া করে দিয়েছে শিশু মোহনার শরীর।
অবশেষে সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিয়ে মেয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দিচ্ছেন বাবা।
এ খবর গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উত্তরা থানা পুলিশ মোহনার বাবার কাছে ঘটনা জেনে মামলা নিয়ে ওই রাতেই (১ ফেব্রুয়ারী) সাফিকুর রহমান ও প্রীতি দম্পতি এবং দুই গৃহকর্মী গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে প্রবাসে থাকা ভোলার সন্তান আলহাজ্ব আবুল কাশেম মাতাব্বর দেশের যে কোন প্রান্তে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের খবর দেখলেই সাহায্যতে এগিয়ে আসেন। এ মোহনার খবরটি দেখেও এ পরিবারর
পাশে দাড়িয়েছেন এবং আগামীতেও তার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন আবুল কাশেম।