
ভোলার সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক সম্মানিত বয়োজ্যেষ্ঠ সমাজসেবকের বিরুদ্ধে সুকৌশলে 'ধর্ষণ চেষ্টার' মতো মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ওই ব্যক্তির নাম হোসেন হাওলাদার। তিনি রাজাপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও এলাকার অত্যন্ত সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হোসেন হাওলাদারের সঙ্গে প্রতিবেশী জাকির ঢালীদের জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, এই বিরোধকে কেন্দ্র করে হোসেন হাওলাদারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও কায়দা করতে জাকির ঢালী ও তার পরিবার একটি নোংরা ষড়যন্ত্রের আশ্রয় নেয়। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি জাকির ঢালীর বোনকে হোসেন হাওলাদার 'ধর্ষণের চেষ্টা' করেছেন—এমন একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও বানোয়াট অভিযোগ তুলে বিভিন্ন মহলে ও সুকৌশলে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
এলাকার একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন বাসিন্দারা জানান, হোসেন হাওলাদার রাজাপুরের একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তিনি এলাকার একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের জমিদাতা। দীর্ঘ জীবন ধরে তিনি একজন সমাজসেবক হিসেবে মানুষের পাশে থেকেছেন। এমন একজন সম্মানিত ও প্রবীণ মানুষের নামে এই ধরনের জঘন্য ও মানহানিকর অপপ্রচারে পুরো এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন: হোসেন হাওলাদার আমাদের এলাকায় অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। তার বয়স এবং সামাজিক অবদান সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। জমি নিয়ে বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু সেজন্য একজন মুরুব্বির নামে এমন নোংরা অপবাদ দেওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।"
মিথ্যা অপবাদের মাধ্যমে সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে রাজাপুরের সাধারণ মানুষ। তারা অবিলম্বে এই সুকৌশলী অপপ্রচার বন্ধের দাবি জানিয়েছেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানিয়েছে ঘটনা যা-ই হোক তদন্তের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না বলেও নিশ্চিত করেছে ওসি।