
তেল সংকটের কারণে মৎস্য খামারিরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন, জেনারেটর ও পানির পাম্প চালাতে ডিজেলের তীব্র ঘাটতি মাছের অক্সিজেনের অভাব এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিতে সরাসরি প্রভাব ফেলছে।
ডিজেল না পাওয়ায় খামারের পানি পরিবর্তন ও বায়োফ্লক ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ফলে বড় ধরনের মৎস্য মৃত্যুর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
ভোলার রূপালী মৎস্য খামার ও হ্যাচারির সত্ত্বাধিকারী আলহাজ্ব আমির হোসেন জানান, তেল না থাকায় আমার খামারের ৫০ লক্ষ টাকার মাছ মরে যাচ্ছে।
বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে হ্যাচারি করা আমির হোসেন জানান, তেল সংকটে আমার স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যাচ্ছে।
ভোলার দক্ষিণ দিঘলদীর বালিয়া গ্রামে অবস্থিত সরকারী স্বীকৃতি প্রাপ্ত মৎস্য খামারি আমির হোসেন তেল সিন্ডিকেট রোধ করে দ্রুত তাদের খামারিদের তেল দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে তিনি।