
ভোলার দৌলতখান উপজেলার বিচ্ছিন্ন মদনপুর ইউনিয়নে এক বাবার (৩৭) বিরুদ্ধে নিজের মেয়েকে (১৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এতে ভুক্তভোগী কিশোরী পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গর্ভপাত করেছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনাটি জানাজানির পর গা-ঢাকা দিয়েছে নরপিশাচ বাবা।
ভুক্তভোগী কিশোরী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার দিবাগত রাতে (৪ মার্চ) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ইব্রাহিম।
স্থানীয়রা জানান, মেঘনার বুকে জেগে উঠা মদনপুর ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের অভিযুক্ত ব্যক্তির নির্যাতনে তার স্ত্রী বাবার বাড়ীতে চলে যায়। ওই সময় কিশোরীকে বাবার কাছে রেখে দেয়। এক পর্যায়ে গলায় দা ধরে দীর্ঘদিন শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। সম্প্রতি ওই কিশোরীর মা বাবা বাড়ী থেকে এসে মেয়ের শারীরিক অবস্থার পরির্তন দেখে জানতে চাইলে মাকে খুলে বলেন।
মেয়ের উপর বাবা হয়ে নরপিশাচ কাণ্ড করার বিষয়ে স্বামীকে জিজ্ঞেস করলে উল্টো তাকে ব্যাপক মারধর করে, ডাক্তার থেকে ওষুধ নিয়ে জোরপূর্বক মেয়ে কে গর্ভপাত করান অভিযুক্ত বাবা।
ওই গর্ভপাতে ৫ মাসের বাচ্ছা জন্মনিলে একটি টয়লেটের ডাস্টবিনে পেলে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে ৩ মার্চ সন্ধ্যায় কিশোরীর মা ও খালা ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করিয়েছে।
এদিকে এ ঘটনা কে দামাচাপা দিতে অভিযুক্তের ভাই ও বড় মেয়ের জামাতা প্রভাবশালীদের দ্বারেদ্বারে ঘুরছে বলে অভিযোগ করেছে কিশোর মা।
তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছে অভিযুক্ত কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।