
তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এভাবে হামলার শিকার হতে হবে, তা হয়তো ভাবেননি সাংবাদিক সজীব মোল্লা। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে তথ্য সংগ্রহের সময় ‘মনপুরা মডেল ফার্মেসি’র মালিক পলাশ ফরাজীর রোষানলে পড়েন তিনি। তুচ্ছ ঘটনায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং একপর্যায়ে সজীব মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় অভিযুক্ত পলাশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মারধরের পর সজীব মোল্লাকে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে ফার্মেসির ভেতর আটকে রাখা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক বাদী হয়ে মনপুরা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এদিকে, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন ভোলার গণমাধ্যমকর্মীরা। শুক্রবার বিকেলে ‘সকল সাংবাদিক বৃন্দ, ভোলা’ এর ব্যানারে ভোলা প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত হয় এক বিশাল মানববন্ধন। এতে জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশ নিয়ে হামলাকারীর দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলাকে স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায় হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘটনায় কত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।