• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |

ভোলায় মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে মামলা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন 

মোঃ সোহেল, ভোলা৷ / ১৫৪ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 2;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 52;

ভোলায় এক মাদ্রাসা সুপারসহ নিরপরাধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার অভিযোগে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। 

শুক্রবার দুপুরে জুম্মা নামাজ শেষে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা মাদ্রাসার হাট বাজারে এ মানববন্ধন করা হয়। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ইলিশা নেছারিয়া মাদ্রাসার সাবেক সুপার ও ইলিশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা  মাওলানা আবু তাহের দীর্ঘদিন যাবৎ গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।  

কোন মামলায় সে বাদী কোন মামলায় সে সাক্ষী হয়ে এক প্রকার বাণিজ্য করে আসছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা। 

ইলিশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি আরিফুল ইসলাম বলেন, আবু তাহের মাওলানা একজন প্রতারক, তার ছেলেরা তার থেকে বেশি প্রতারক। 

এ চক্র গ্রামের সহজ-সরল মানুষদের কাছে এক প্রকার আতঙ্ক। 

আরিফ বলেন, তার নিজের বাড়ীতে পরিত্যক্ত একটি ঘরে আগুণ দিয়ে তার ছেলে মিজান বাদী হয়ে মাদ্রাসার বর্তমান সুপার মাওলানা মহিবুল্লাহসহ ৬জন নিরপরাধ মানুষের নামে মামলা করেছে যার নং সিআর ৪৬২। 

মাদ্রাসার অফিস সহায়ক শাহাজান বলেন, মাদ্রাসার সরকারি কাজ থেকে

আমাদের সাবেক সুপার আবু তাহের মাওলানা, বর্তমান সুপারের কাছে চাঁদা দাবী করেছে, ওই চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে সুপার মহিবুল্লাহ, এ জন্যই ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের পরিত্যক্ত ঘরে আগুন দিয়ে আমাকেসহ ৬জনের নামে আবু তাহের মাওলানার ছেলে মিজান বাদী হয়ে ভোলার কোর্টে একটি মামলা করেছে। 

নেছারিয়া মাদ্রাসার অফিস সহকারী অলিউর রহমান বলেন, আমাদের মাদ্রাসার সুপারসহ আমাকে জড়িয়ে ও মামলার আসামী করেছে মিজান। 

এ আবু তাহের মাওলানা এবং তার ছেলেদের চাঁদাবাজি ও মিথ্যা মামলার কারনে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ব্যাহত হচ্ছে। 

মানববন্ধনে সকল শ্রেণীপেশার কয়েকশ মানুষ অংশ নিয়ে সাজানো মামলা প্রত্যাহার ও আবু তাহের মাওলানা এবং তার ছেলে মিজান এবং ওবায়দুর রহমানের বিচার দাবী করেছে। 

এ ঘটনায় মামলার বাদী মিজানের সাথে কথা বললে তিনি কোন সঠিক উত্তর না দিয়ে লাইন কেটে দিয়েছে। 

অন্যদিকে মাদ্রাসার সাবেক সুপার আবু তাহের মাওলানা বলেন, মামলা দিতে আমি নিষেধ করেছি তবুও দিয়েছে৷ আমি তোফায়েল ভাইয়ের (সাবেক এমপি তোফায়েল আহমেদ)  কাছের লোক হিসেবে পরিচিত ছিলাম, আমি সবই বুঝি।  এখন আলমগীর হাজী সাহেব ( জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম নবী আলমগীর) তিনি আমার এটা সমাধান করে দিবে। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category