• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |

নুরকে ছেড়ে দেয়া আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মামুন

জনতার দর্পণ ডেস্ক : / ৭৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

নুরকে ছেড়ে দেয়া আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা মামুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ (দশমিনা–গলাচিপা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা হাসান মামুন নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনেও তিনি নির্বাচন থেকে সরে না দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।


এ আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট থেকে প্রার্থী হয়েছেন অধ্যাপক শাহ আলম। পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন আবু বকর।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে,  নুরুল হক নুর, হাসান মামুন ও অধ্যাপক শাহ আলম—এই তিনজনের মধ্যেই মূলত ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আবু বকর ভোটের হিসাবকে প্রভাবিত করতে পারেন বলেও ধারণা করা হচ্ছে।


স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে নুরুল হক নুর জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি পেলেও পটুয়াখালী-৩ আসনে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাংগঠনিক যোগাযোগ বজায় রেখেছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তৎকালীন সদস্য হাসান মামুন। নুরকে জোটের প্রার্থী ঘোষণার পরও দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলার বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের সিংহভাগ নেতাকর্মী হাসান মামুনের পক্ষেই মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। এমনকি দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগে দুই উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হলেও তাদের অবস্থানে পরিবর্তন আসেনি।


সময় সংবাদকে নুরুল হক নুর বলেন, ‘নির্বাচন মানেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আমি কাউকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি না। এলাকার উন্নয়ন ও নিরাপত্তার প্রশ্নে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাকে ভোট দেবে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছি।’


বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন বলেন, ‘এলাকার সাধারণ মানুষের চাপের কারণে নির্বাচন থেকে ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই। ভোটগ্রহণ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।


এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি নুরুল হক নুরের পক্ষে কাজ না করার অভিযোগ দশচিপা উপজেলা এবং গলাচিপা পৌর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় বিএনপি। সেই সিদ্ধান্তের পরও নির্বাচনী মাঠে বিভক্তির চিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র : সময় টিভি 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category