• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
পটুয়াখালীতে জামায়াত নেতার ধ”র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী, গর্ভে থাকা সন্তানকেও হ”ত্যা আদালতের রায়ে জমি দখলে গিয়ে হামলার শিকার হাওলাদার গ্রুপ: উত্তপ্ত ভোলা পরানগঞ্জ বাজার ভোলা-চট্টগ্রাম রুটে যুক্ত হলো বিলাসবহুল ‘এ আর এক্সপ্রেস’ ভোলার চর মানিকায় কোস্ট গার্ডের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ ভোলায় ২০ লাখ টাকা ছিনতাই ও মারধরের ‘নাটক’ সাজানোর অভিযোগ পারিবারিক বিরোধে ব্যবসায়ী কে পিটিয়ে দোকান বন্ধের হুমকি বিজেপি নেতার, ভিডিও ভাইরাল ভোলার বিচ্ছিন্ন বৈরাগী চরে ‘আনোয়ার বাহিনী’র তাণ্ডব, আতঙ্কে কৃষকেরা ভোলায় বিআরডিবি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন লুকু চৌধুরী: উষ্ণ ফুলেল শুভেচ্ছা মনপুরায় চাঁদার দাবীতে মৎস্যঘাটে হামলার অভিযোগ প্রতিবন্ধীর সরকারি ঘর ভেঙে দোকান নির্মাণ: ভোলার মদনপুর চরে ‘সিরাজ কসাই’ আতঙ্কে অসহায় পরিবার

পটুয়াখালীতে জামায়াত নেতার ধ”র্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী, গর্ভে থাকা সন্তানকেও হ”ত্যা

জনতার দর্পণ ডেস্ক : / ৪২ Time View
Update : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬


এক বিধবা নারীকে ধ”র্ষণের অভিযোগে পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলামের বি”রু”দ্ধে আদালতে মা”মলা করা হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২২ জুলাই পটুয়াখালী নারী ও শিশু নি”র্যা”তন দমন ট্রাইব্যুনালে বাদী হয়ে মা”মলা করেন ওই নারী। মা”ম”লায় একজনকেই আ’সামি করা হয়েছে। আদালতের বিচারক শিরিন নিলা মা”মলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানাকে এজাহারপূর্বক আসামির বি”রু”দ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

শহিদুল ইসলাম সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের বানিয়াকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সদর উপজেলা যুব জামাতের সভাপতি এবং পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের দপ্তর সম্পাদক।

মা”ম”লার এজাহারে ওই নারী বলেন, প্রায় ৭ বছর আগে আমার স্বামী মারা যান। কিছুদিন পরে আমার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যাই। সেখানে আমাকে দেখার পর শহিদুল ইসলাম বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় শহিদুল আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়েতে রাজি হলে শহিদুলের বোন আমাকে দেখবেন এই কথা বলে পটুয়াখালী শহরে নিয়ে যান। গত ২৪ মার্চ সকাল ৯টার দিকে শেরে বাংলা সড়কে তার বোনের বাসায় গেলে রুমের মধ্যে আটকে আমাকে ধ”র্ষণ করেন শহিদুল। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধ”র্ষ”ণ করলে অ”ন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ি।

অভিযোগে ওই নারী বলেন, শহিদুল আমার গ”র্ভের সন্তান ন”ষ্ট করতে চাইলে আমি রাজি হইনি। গত ১৮ মে ডাক্তারি পরীক্ষা করানোর কথা বলে আমাকে ক্লিনিকে নিয়ে যান তিনি। সেখানে ওষুধ খেতে দেওয়া হয়, ওই ওষুধ খেতে না চাইলে ভয়ভীতি দেখানো হয়। পরে ওষুধ খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে যাই। একদিন পরে জ্ঞান ফিরলে জানতে পারি ওষুধ খাইয়ে আমার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দিয়েছেন শহিদুল। আমি এর বিচার চাই।

বাদীপক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির বলেন, ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শহরে নিয়ে আসা হয়। পরে শহিদুলের বোনের বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধ”র্ষণ করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়েছেন। এজাহার গ্রহণ করে আসামির বি”রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সদর থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির নাজমুল আহসান বলেন, যেহেতু শহিদুলের বিরু”দ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে, এ বিষয়ে আমার কিছু বলা উচিত নয়। আদালত তার বিচার করবেন। আদালত দেখবেন ঘটনা সত্যি নাকি মিথ্যা। আদালতে দোষী হলে পরে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, আমরা এখন পর্যন্ত আদালতের আদেশের কপি হাতে পাইনি। আদেশের কপি হাতে পেলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামির বি”রু”দ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category