• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪১ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলায় জিওব্যাগ ধসে দুই বন্ধু নিখোঁজ সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কমছে: ভোলায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ভোলায় কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি হবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ইলিশায় ‘মেসার্স এমএন ট্রেডিং’-এর শুভ উদ্বোধন ভোলায় বিআইডব্লিউটিএ ট্রাফিক ইনচার্জ ও লস্করের বিরুদ্ধে ট্রলার চালক থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ   ভোলায় সরকারি ‘মজিব কিল্লা’র মালামাল হরিলুট ভোলা যুক্ত হচ্ছে মূল ভূখণ্ডে: আনন্দের মাঝেও ক্ষোভের আগুন ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলায় স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে উপ-সচিব আবদুল খালেক আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ায় ভোলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ ২৬ বছর পর কারামুক্ত কালু: ভিটায় ফিরে প্রিয়জনদের জায়গায় শুধুই শূন্যতা

ভোলায় মায়ের পাশেই শায়িত হবেন তোফায়েল আহমেদ

ইয়ামিন হোসেন / ৮৩৬৯১ Time View
Update : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, প্রবীণ রাজনীতিবিদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা আজ সোমবার বাদ মাগরিব রাজধানীর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার মরদেহ রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।

আগামীকাল মঙ্গলবার তাকে নিজ জেলা ভোলায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তোফায়েল আহমেদের জামাতা ও সাবেক এমপি ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন।

এর আগে আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার হেলিকপ্টার অথবা মরদেহবাহী ফ্রিজিং ভ্যানে করে তার (তোফায়েল আহমেদ) মরদেহ নিজ জেলা ভোলায় নেওয়া হবে। সেখানে জোহরের নামাজের পর ভোলা জেলা স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষেতাকে দাফন করা হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর তোফায়েল আহমেদ নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে ছিল।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ছিলেন। ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রেখে দেশজুড়ে পরিচিতি পান তিনি।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category