• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
মৎস্য ব্যবসায়ী সবুজ মাঝির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ  ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত: স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি দিলেন স্ত্রী ​ভোলায় জোরপূর্বক ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় জমির মালিককে পিটিয়ে আহত ​ভোলার মেঘনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেজে জেলেদের উপর হামলা ও জাল লুটের অভিযোগ, নেপথ্যে ‘সবুজ বাহিনী’ শাসক হতে আসিনি, সেবক হতে এসেছি”: ভোলার কাচিয়ায় আবেগঘন বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ইউসুফ ভোলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান ​ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: ৪০ কেজি ইলিশ জব্দ, এতিমখানায় বিতরণ চোখে দেখিনি কাশেম বাবাকে, তিনি পাঠালেন বেঁচে ফেরার আলো “ ​ভোলায় অনিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ‘ইলিশা সমাজ কল্যাণ’ সংগঠনের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে ৪ জেলে আটক, ৫ লাখ মিটার জাল জব্দ

ঈদের আমেজ নেই ভোলার জেলে পল্লীতে!

ইয়ামিন হোসেন, ভোলা। / ১৩৭ Time View
Update : বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

 

 মানিক বন্দ্যোপাধ্যয়ের ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ উপন্যাসের এর মত এ বছরের ঈদ যেন জেলেদের জীবনের কঠিন বাস্তবতার চিত্র।

জেলে পাড়ায় নেই যেন জীবনের কোনো উল্লাস। 

যে পরম বাস্তবতায় লিখেছিলেন ‘ঈশ্বর থাকেন ঐ ভদ্র পল্লীতে’ এমন চিত্র দেখা মিলে ভোলার মেঘনা-তেতুলিয়া নদী পাড়ের জেলে পল্লীতে। একদিন পরে ঈদ অথচ তাদের নেই কোনো উল্লাস।

প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে মাছ শিকার  বন্ধ থাকায় সম্পূর্ণ কর্মহীন এখানকার জেলেরা । আধ পেটা খেয়ে কোনো রকমে দিন কাটছে জেলে পল্লীর মানুষদের। এমন অবস্থায় ঈদের আমেজেও তাদের চোখে-মুখে বিষাদের ছায়া। ঈদের অবারিত আনন্দও যেন তাদের কাছে বিলাসিতা।

সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় জেলে দম্পতি কালু ও আয়েশা বেগমের সঙ্গে। কালু  জানান, নদীতে মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। কিন্তু সরকারি নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘ তিন সপ্তাহ ধরে মাছ ধরা বন্ধ। 

এদিকে জেলে নিবন্ধন না থাকায় সরকারি কোনো সহায়তাও পাননা তারা। এ কারণে দুই শিশু সন্তান নিয়ে দিন কাটছে খুবই কষ্টে। দুমুঠো খেতে পারাই এখন দায় হয়ে পড়েছে। সন্তানদের জন্য কিনতে পারেননি ঈদের জামা-কাপড়।

তাদের মতো একই অবস্থা মেঘনা-তেতুলিয়া নদীতে মাছ শিকারী হাজার হাজার জেলের। তাদের দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে। এ অবস্থায় ঈদের আনন্দ নেই জেলে পল্লীতে। ঈদ যেন তাদের কাছে এসেছে অনেকটা বঞ্চনা নিয়ে।


কর্মহীন জেলেদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সামান্য কিছু খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হলেও, নিবন্ধন না থাকায় তা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন অনেক জেলে।

ভোলা জেলা মৎস্য কমকর্তা ইকবাল হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞা চলাকালে সব ধরনের মাছ শিকার, পরিবহন, বাজারজাত বন্ধ থাকে।

এ কারনে ভোলার খাদ্য সহায়তা পাবে ১৩ হাজার এবং ৪ মাসে ১৬০ কেজি করে চাল পাবেন ৯০ হাজার ২শ জেলে। 

উল্লেখ্য, ইলিশসহ সব ধরনের মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মার্চ- এপ্রিল দুই মাসের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় মাছ ধরায়। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category