• রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |

ঈদে শুধু সড়কেই প্রাণ গেলো ৩৫১ জনের: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

জনতার দর্পণ ডেস্ক : / ৬৬ Time View
Update : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬

  1. /

ঈদে শুধু সড়কেই প্রাণ গেলো ৩৫১ জনের: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

ঈদে শুধু সড়কেই প্রাণ গেলো ৩৫১ জনের: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

বিত্র ঈদুল ফিতরে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সব মিলে সড়ক, রেল ও নৌ পথে সর্বমোট ৩৭৭ দুর্ঘটনায় ৩৯৪ জন নিহত ও ১২৮৮ জন আহত হয়।

এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে ১০৪৬ জন। একই সময়ে রেলপথে ২৩টি দুর্ঘটনায় ৩৫ জন নিহত ও ২২৩ জন আহত হয়েছে। নৌ-পথে ৮টি দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৯ জন আহত এবং ৩ জন নিখোঁজ রয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে যাত্রী কল্যাণ সমিতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই তথ্য তুলে ধরেন।

গণমাধ্যম বিশ্লেষণে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

একই সময়ে জাতীয় অর্থোপেডিক (পঙ্গু) হাসপাতালে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ২১৭৮ জন ভর্তি হয়েছে। চলমান ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে গত ১৫ দিনে হতাহত বিশ্লেষণ করলে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা অনেক বেশি।

ঈদযাত্রা শুরুর দিন ১৪ মার্চ থেকে ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা ২৮ মার্চ পর্যন্ত বিগত ১৫ দিনে ৩৪৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ১০৪৬ জন আহত হয়েছে। বিগত ২০২৫ সালের ঈদুল ফিতরে ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২২ জন নিহত ও ৮২৬ জন আহত হয়েছিল। বিগত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা ৮.৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৮.২৬ শতাংশ, আহত ২১.০৫ শতাংশ বেড়েছে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, বরাবরের মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১২৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত, ১১৪ জন আহত হয়েছে। যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৩৬.১২ শতাংশ, নিহতের ৩৮.৪৬ শতাংশ এবং আহতের ১০.৮৯ শতাংশ প্রায়।

এই সময় সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৭১ জন চালক, ৫৫ জন শিশু, ৫৪ জন পথচারী, ৫১ জন নারী, ৪২ জন শিক্ষার্থী, ১০ জন পরিবহন শ্রমিক, ৭ জন শিক্ষক, ৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ৩ জন প্রকৌশলী, ২ জন সাংবাদিক, ১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ১ জন চিকিৎসকের পরিচয় মিলেছে।

সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট যানবাহনের ২৭.১৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১৭.৭৩ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ১৬.২২ শতাংশ বাস, ১৫.২৮ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা, ৮.৪৯ শতাংশ কার-মাইক্রো, ৭.৭৩ শতাংশ নছিমন-করিমন ও ৭.৩৫ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। দুর্ঘটনার ৩৫.৮৩ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩২.৩৬ শতাংশ পথচারীকে গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২২.২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায়, ০.৫৭ শতাংশ ট্রেন-যানবাহনে, ০.৫৭ শতাংশ চাকায় ওড়না পেছিয়ে ও ৮.৩৮ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৪৩.০৬ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০.০৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ২১.৯৬ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এছাড়াও সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.০৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০.২৮ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৫৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category