• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলায় জিওব্যাগ ধসে দুই বন্ধু নিখোঁজ সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কমছে: ভোলায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ভোলায় কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি হবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ইলিশায় ‘মেসার্স এমএন ট্রেডিং’-এর শুভ উদ্বোধন ভোলায় বিআইডব্লিউটিএ ট্রাফিক ইনচার্জ ও লস্করের বিরুদ্ধে ট্রলার চালক থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ   ভোলায় সরকারি ‘মজিব কিল্লা’র মালামাল হরিলুট ভোলা যুক্ত হচ্ছে মূল ভূখণ্ডে: আনন্দের মাঝেও ক্ষোভের আগুন ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলায় স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে উপ-সচিব আবদুল খালেক আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ায় ভোলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ ২৬ বছর পর কারামুক্ত কালু: ভিটায় ফিরে প্রিয়জনদের জায়গায় শুধুই শূন্যতা

ভোলার চরাঞ্চলে ‘মহিষ ডাকাত’ আতঙ্কে খামারিরা

ভোলা প্রতিনিধি। / ১৯৮ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

রাতের আঁধার নামলেই ভোলার চরাঞ্চলজুড়ে শুরু হয় আতঙ্কের রাজত্ব। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা ছোট-বড় ৮৫টি চরে এখন শুধুই হাহাকার। চোর আর ডাকাত সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে চরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি মহিষের বাতানগুলো আজ ধ্বংসের মুখে। একের পর এক মহিষ চুরির ঘটনায় নিস্ব হয়ে পড়ছেন উপকূলের খামারিরা, অথচ প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না!

​জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন চরে বর্তমানে ১ লাখ ২৪ হাজারেরও বেশি মহিষ লালন-পালন করা হয়। এসব বাতান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টন দুধ উৎপাদন হয়, যা ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দই শিল্পের প্রধান জোগান।

​তবে এই সম্ভাবনাময় শিল্পটি এখন চোর চক্রের পেটে চলে যাচ্ছে। দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে কোনো না কোনো বাতানে হামলা চালাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেট। ট্রলার নিয়ে এসে রাতের আঁধারে সাবাড় করে দেওয়া হচ্ছে পুরো খামার।

মাসুম নামের এক খামারী হতাশ হয়ে বলেন, “বলে আর কী হবে ভাই! গত রাতেও আমার মহিষ চুরি হয়ে গেছে। কোটি টাকার ক্ষতি হলো, এখন আমরা বাঁচব কীভাবে?

খামারিদের চরম ক্ষোভ, ঘটনা ঘটার পর থানা-পুলিশের দরজায় ঘুরেও কোনো সুফল মিলছে না। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি উদ্ধার হওয়া মহিষ, ধরা পড়েনি কোনো চোর। প্রশাসনের এই ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ ভূমিকার কারণেই দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোর চক্র।

​ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি অবিলম্বে চরাঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিশেষ টহল জোরদার করতে হবে এবং রাতারাতি খামারিদের নিঃস্ব করা এই চোর সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অচিরেই ধসে পড়বে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষ ও দই শিল্প।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category