• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলায় জিওব্যাগ ধসে দুই বন্ধু নিখোঁজ সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কমছে: ভোলায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ভোলায় কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি হবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ইলিশায় ‘মেসার্স এমএন ট্রেডিং’-এর শুভ উদ্বোধন ভোলায় বিআইডব্লিউটিএ ট্রাফিক ইনচার্জ ও লস্করের বিরুদ্ধে ট্রলার চালক থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ   ভোলায় সরকারি ‘মজিব কিল্লা’র মালামাল হরিলুট ভোলা যুক্ত হচ্ছে মূল ভূখণ্ডে: আনন্দের মাঝেও ক্ষোভের আগুন ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলায় স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে উপ-সচিব আবদুল খালেক আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ায় ভোলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ ২৬ বছর পর কারামুক্ত কালু: ভিটায় ফিরে প্রিয়জনদের জায়গায় শুধুই শূন্যতা

ভোলায় স্বামী রেখে গোপনে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগ, জালিয়াতির নেপথ্যে দুই কাজী

ভোলা প্রতিনিধি। / ৪০৩ Time View
Update : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নে স্বামী ও সন্তান বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ভূয়া তালাকনামা তৈরির এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীরের কেন্দ্রে রয়েছেন স্থানীয় ইলিশা ৭নং ওয়ার্ডের জুলফা আক্তার নামক এক নারী, তাঁর বাবা ফজলু রহমান এবং উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের কাজী মো. মামুন ও সহকারী মতিন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব ইলিশা ৭নং ওয়ার্ডের অধিবাসী ফজলু রহমানের মেয়ে জুলফা আক্তার (এক সন্তানের জননী) তাঁর প্রথম স্বামীকে বিবাহিত অবস্থায় বহাল রেখেই পরকীয়ায় লিপ্ত হন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম স্বামীকে আইনগতভাবে কোনো তালাক না দিয়েই তিনি এই দ্বিতীয় বিবাহ সম্পন্ন করেন।

অভিযোগ উঠে যে, জালিয়াতি ঢাকতে জুলফার বাবা ফজলু রহমান মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের কাজী মো. মামুন এবং স্থানীয় রোহিতা মাদ্রাসার শিক্ষক ও কাজী সহকারী মতিনকে দিয়ে পেছনের তারিখ ব্যবহার করে একটি ভুয়া তালাক নোটিশ তৈরি করান। গতকাল ১৬ আগস্ট প্রকাশ পাওয়া ওই নোটিশটি পর্যালোচনা করে প্রতারণা ও মোটা অংকের লেনদেনের বিষয়টি সুস্পষ্ট হয়।

বিষয়টি নিয়ে ভোলা জজকোর্টের এক অভিজ্ঞ আইনজীবী জানান, গ্রাম-গঞ্জের একশ্রেণীর অসাধু কাজী টাকার লোভে আইন ও নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অপকর্ম চালিয়ে আসছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও অভিযোগ করেন যে, অভিযুক্ত কাজী মামুন ও সহকারী মতিনের বিরুদ্ধে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি এবং বাল্যবিবাহ দেওয়ার অভিযোগ বহু পুরোনো।

এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য কাজী সহকারী মতিনের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়া মাত্রই তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন।

​অন্যদিকে, উত্তর দিঘলদী ইউনিয়নের প্রধান কাজী মো. মামুন নিজের দায় এড়িয়ে বলেন, “আমার মূল বালাম বইতে এই তালাকের কোনো নিবন্ধিত রেকর্ড বা এন্ট্রি নেই। সহকারী মতিন কীভাবে বা কোন প্রক্রিয়ায় এটি করেছে, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।”

​প্রথম স্বামীকে না জানিয়ে প্রতারণার আশ্রয়ে এমন বিয়ে ও জালিয়াতির ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category