• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলায় জিওব্যাগ ধসে দুই বন্ধু নিখোঁজ সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কমছে: ভোলায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ভোলায় কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি হবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ইলিশায় ‘মেসার্স এমএন ট্রেডিং’-এর শুভ উদ্বোধন ভোলায় বিআইডব্লিউটিএ ট্রাফিক ইনচার্জ ও লস্করের বিরুদ্ধে ট্রলার চালক থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ   ভোলায় সরকারি ‘মজিব কিল্লা’র মালামাল হরিলুট ভোলা যুক্ত হচ্ছে মূল ভূখণ্ডে: আনন্দের মাঝেও ক্ষোভের আগুন ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলায় স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে উপ-সচিব আবদুল খালেক আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ায় ভোলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ ২৬ বছর পর কারামুক্ত কালু: ভিটায় ফিরে প্রিয়জনদের জায়গায় শুধুই শূন্যতা

মনপুরায় উচ্ছ্বাস, ১০৭ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আমাদের সময়ের সম্পাদকের আবেদনে ২ কোটি ৬৭ লাখ টাকার সহায়তা

ভোলা প্রতিনিধি। / ৯৩ Time View
Update : রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

ভোলার মনপুরা উপজেলার ১০৩টি মসজিদ ও ৪টি মন্দিরে উন্নয়ন ও সংস্কার কাজের জন্য বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে আনন্দ ও স্বস্তির পরিবেশ বিরাজ করছে। 

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা পরিষদ উন্নয়ন সহায়তা কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় এ বরাদ্দ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করায় ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস পিএলসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও দৈনিক আমাদের সময়-এর সম্পাদক, মনপুরার সন্তান শাখাওয়াত হোসেনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে মনপুরা ইউনিয়নের ৫টি মসজিদে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, হাজিরহাট ইউনিয়নের ২৩টি মসজিদ ও ১টি মন্দিরে ৬০ লাখ টাকা, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪২টি মসজিদে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা, দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নের ২২টি মসজিদ ও ৩টি মন্দিরে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, কলাতলি ইউনিয়নের ১০টি মসজিদে ২৫ লাখ টাকা এবং ডালচর ইউনিয়নের ১টি মসজিদে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে উপজেলার ১০৭টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য মোট ২ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও উন্নয়নের অপেক্ষায় থাকা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এ বরাদ্দের মাধ্যমে নতুন রূপ পাবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

মাস্টারহাট হাজী আব্দুর  রশিদ বাড়ি জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি  ডা. কামাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মসজিদের উন্নয়ন কাজের প্রয়োজন ছিল। অবশেষে বরাদ্দ পাওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এ উদ্যোগের জন্য শাখাওয়াত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।

বেপারী বাড়ি জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি মিজানুর রহমান কবির বলেন,মনপুরার ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। একসঙ্গে এতগুলো মসজিদে বরাদ্দ পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বস্তি ও আনন্দ ফিরে এসেছে।

আনরআলী মিয়া জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুর রহমান রাশেদ মোল্লা বলেন, মনপুরার সন্তান শাখাওয়াত হোসেন আমাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করেছেন। বিভিন্ন মসজিদে একসঙ্গে এত বড় উন্নয়ন বরাদ্দ পাওয়া সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ আরও সুন্দর ও উন্নত হবে। আমরা মনপুরাবাসী তার প্রতি কৃতজ্ঞ।

এদিকে আল মদিনা জামে মসজিদের মুসল্লি সোরওয়ার উদ্দিন হাওলাদার বলেন,গ্রামের মসজিদগুলোর উন্নয়নে এমন সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে মুসল্লিদের সুবিধা বাড়বে এবং ধর্মীয় কার্যক্রম আরও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

একসঙ্গে এতগুলো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন বরাদ্দ অনুমোদন হওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝেও ব্যাপক সন্তোষ প্রকাশ দেখা গেছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও তার হাত ধরে মনপুরার অবহেলিত ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category