মনপুরায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পে অর্থ আত্মসাৎ’ সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ
সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “মনপুরায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতি আমার দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বিভ্রান্তিকর। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রকৃত সত্য এই যে, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের একজন মাঠকর্মী দীর্ঘ প্রায় ১৫ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ও পলাতক রয়েছেন। তাঁকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান রয়েছে। উক্ত পলাতক মাঠকর্মীর ব্লকভুক্ত দল বা সমিতির অনাদায়ী অর্থ প্রাথমিক তদন্তে সাময়িকভাবে আমার নামে দায় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ এ-সংক্রান্ত সকল প্রশাসনিক, আর্থিক ও দাপ্তরিক নথিপত্র এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ আমার কাছে যথাযথভাবে সংরক্ষিত রয়েছে। বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য আমি নিজেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আবেদন জানিয়েছি।
বিষয়টি বর্তমানে বিভাগীয় তদন্তাধীন রয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো আদালত কিংবা চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। উপরন্তু, আমি নিয়মিতভাবে অফিসে উপস্থিত থেকে আমার স্বাভাবিক দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করে আসছি।
তদন্তাধীন একটি বিষয়কে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করে সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী। এটি আমার ব্যক্তিগত, পেশাগত সুনাম ও দীর্ঘদিনের কর্মজীবনের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং কর্তৃপক্ষের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। একটি নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য দ্রুতই উন্মোচিত হবে।
এমতাবস্থায়, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারী এবং সর্বসাধারণের প্রতি বিনীত অনুরোধ—যাচাই-বাছাই ছাড়া বিভ্রান্তিকর, অসম্পূর্ণ বা একপাক্ষিক তথ্য প্রচার ও শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
নিবেদক,
মো. কামরুজ্জামান
উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা (জেলা দপ্তরে সংযুক্ত)
বিআরডিবি, ভোলা।