• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
মৎস্য ব্যবসায়ী সবুজ মাঝির বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদ  ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত: স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের কিডনি দিলেন স্ত্রী ​ভোলায় জোরপূর্বক ড্রেজার দিয়ে মাটি উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় জমির মালিককে পিটিয়ে আহত ​ভোলার মেঘনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেজে জেলেদের উপর হামলা ও জাল লুটের অভিযোগ, নেপথ্যে ‘সবুজ বাহিনী’ শাসক হতে আসিনি, সেবক হতে এসেছি”: ভোলার কাচিয়ায় আবেগঘন বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ইউসুফ ভোলায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ১৩৫ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান ​ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: ৪০ কেজি ইলিশ জব্দ, এতিমখানায় বিতরণ চোখে দেখিনি কাশেম বাবাকে, তিনি পাঠালেন বেঁচে ফেরার আলো “ ​ভোলায় অনিবন্ধিত জেলেদের মাঝে ‘ইলিশা সমাজ কল্যাণ’ সংগঠনের খাদ্য সহায়তা বিতরণ ভোলায় মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে ৪ জেলে আটক, ৫ লাখ মিটার জাল জব্দ

ভোলার চরাঞ্চলে ‘মহিষ ডাকাত’ আতঙ্কে খামারিরা

ভোলা প্রতিনিধি। / ২১৯ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

রাতের আঁধার নামলেই ভোলার চরাঞ্চলজুড়ে শুরু হয় আতঙ্কের রাজত্ব। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা ছোট-বড় ৮৫টি চরে এখন শুধুই হাহাকার। চোর আর ডাকাত সিন্ডিকেটের তাণ্ডবে চরাঞ্চলের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি মহিষের বাতানগুলো আজ ধ্বংসের মুখে। একের পর এক মহিষ চুরির ঘটনায় নিস্ব হয়ে পড়ছেন উপকূলের খামারিরা, অথচ প্রশাসন যেন দেখেও দেখছে না!

​জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভোলার ৭টি উপজেলার বিভিন্ন চরে বর্তমানে ১ লাখ ২৪ হাজারেরও বেশি মহিষ লালন-পালন করা হয়। এসব বাতান থেকে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ টন দুধ উৎপাদন হয়, যা ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষের দই শিল্পের প্রধান জোগান।

​তবে এই সম্ভাবনাময় শিল্পটি এখন চোর চক্রের পেটে চলে যাচ্ছে। দুর্গম চরাঞ্চলের সুযোগ নিয়ে কোনো না কোনো বাতানে হামলা চালাচ্ছে সংঘবদ্ধ চোর সিন্ডিকেট। ট্রলার নিয়ে এসে রাতের আঁধারে সাবাড় করে দেওয়া হচ্ছে পুরো খামার।

মাসুম নামের এক খামারী হতাশ হয়ে বলেন, “বলে আর কী হবে ভাই! গত রাতেও আমার মহিষ চুরি হয়ে গেছে। কোটি টাকার ক্ষতি হলো, এখন আমরা বাঁচব কীভাবে?

খামারিদের চরম ক্ষোভ, ঘটনা ঘটার পর থানা-পুলিশের দরজায় ঘুরেও কোনো সুফল মিলছে না। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি উদ্ধার হওয়া মহিষ, ধরা পড়েনি কোনো চোর। প্রশাসনের এই ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ ভূমিকার কারণেই দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোর চক্র।

​ভোলাবাসীর প্রাণের দাবি অবিলম্বে চরাঞ্চলে নৌ-পুলিশের বিশেষ টহল জোরদার করতে হবে এবং রাতারাতি খামারিদের নিঃস্ব করা এই চোর সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। তা না হলে অচিরেই ধসে পড়বে ভোলার ঐতিহ্যবাহী মহিষ ও দই শিল্প।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category