• বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
  • |
  • English Version
  • |
Headline :
ভোলায় জিওব্যাগ ধসে দুই বন্ধু নিখোঁজ সংবাদের বিশ্বাসযোগ্যতা কমছে: ভোলায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ভোলায় কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি হবে না: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে ইলিশায় ‘মেসার্স এমএন ট্রেডিং’-এর শুভ উদ্বোধন ভোলায় বিআইডব্লিউটিএ ট্রাফিক ইনচার্জ ও লস্করের বিরুদ্ধে ট্রলার চালক থেকে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ   ভোলায় সরকারি ‘মজিব কিল্লা’র মালামাল হরিলুট ভোলা যুক্ত হচ্ছে মূল ভূখণ্ডে: আনন্দের মাঝেও ক্ষোভের আগুন ভোলা-বরিশাল সেতু ভোলায় স্বাস্থ্যসেবা তদারকিতে উপ-সচিব আবদুল খালেক আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্ত্রী হওয়ায় ভোলায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ ২৬ বছর পর কারামুক্ত কালু: ভিটায় ফিরে প্রিয়জনদের জায়গায় শুধুই শূন্যতা

ভোলায় লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ভোলা প্রতিনিধি। / ১৩২৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; sv:16.2.12.4.W20; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: off;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 40;

ভোলা প্রতিনিধি:

কাগজে-কলমে সচল এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং। সরকারি খাতায় বরাদ্দ রয়েছে ১৫ জন এতিম শিক্ষার্থীর নাম। প্রতি ৬ মাস পরপর তোলা হচ্ছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অর্থাৎ বছরে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান আসছে সরকারি তহবিল থেকে। কিন্তু বাস্তবে সেখানে কোনো লিল্লাহ বোর্ডিং বা এতিমখানার অস্তিত্বই নেই! এতিমদের জন্য আসা সরকারি বরাদ্দের পুরো টাকাই যাচ্ছে একটি প্রভাবশালী চক্রের পকেটে।

​চাঞ্চল্যকর এই জালিয়াতির ঘটনাটি ঘটেছে ভোলা সদর উপজেলার পূর্ব ইলিশা গুপ্ত মুন্সী এলাকার ‘মুজাফফর আলী মাতাব্বর নুরানি ও হাফেজী মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং’-এ। সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তরের ক্যাপিটেশন গ্রান্টের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত এই প্রতিষ্ঠানটির পুরো তদারকির দায়িত্বে রয়েছে ভোলা সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিস।

​অনুসন্ধানে ও সরেজমিনে উক্ত মাদ্রাসায় গিয়ে দেখা যায়, লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের নামে মোটা অঙ্কের সরকারি বরাদ্দ এলেও মাদ্রাসায় কোনো বোর্ডিং বা ১৫ জন এতিম শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা নেই। এমনকি এই বিপুল পরিমাণ টাকা বরাদ্দের বিষয়টি মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ পুরোপুরি অজ্ঞাত।

​শিক্ষকদের দাবি, মাদ্রাসায় কাগজে-কলমে ১৫ জন দেখানো হলেও বাস্তবে এতিম শিশু রয়েছে মাত্র ৭ জন। তবে সেই ৭ জন শিশুর পেছনেও এই বরাদ্দের কোনো টাকা খরচ করা হয় না।

​মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বললে তারা ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে জানায় ​”আমাদের এখানে কোনো লিল্লাহ বোর্ডিং নেই। আমরা আশেপাশের মানুষের বাড়িতে লজিং থেকে অথবা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খেয়ে বেঁচে আছি এবং মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছি।”

​সরকারি এই অর্থ লোপাটের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার পরিচালক আমান উল্লাহ ওসমানী সম্পূর্ণ দায় এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, “এই বরাদ্দের বিষয়ে আমি বিন্দুমাত্র কিছুই জানি না। এর সব কিছু জানেন এবং নিয়ন্ত্রণ করেন হাবিব মাতাব্বর।”

​অভিযোগের মূল কেন্দ্রবিন্দু হাবিব মাতাব্বরের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তার কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

​ভোলা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রজত শুভ্র সরকার বলেন, “সাধারণত উপজেলা সমাজসেবা অফিস এসব বিষয় সরাসরি দেখাশোনা ও তদারকি করে থাকে। তবে যেহেতু আপনারা (সাংবাদিকরা) একটি সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছেন, বিষয়টি আমি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

​এতিম শিশুদের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়ে সরকারি টাকা আত্মসাতের এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় এলাকাবাসী। তারা অনতিবিলম্বে এই জালিয়াতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category